পেকুয়ায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, ক্ষমতাসীনদলের বিবৃতি

ww.jpg

 স্টাফ রিপোর্টার, পেকুয়া :
পেকুয়ায় টইটং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারন সম্পাদক জাহেদুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলার আর্জি পেশ করা হয়েছে। ওই মামলায় চেয়ারম্যানসহ তার পরিষদের দফাদার ও গ্রাম পুলিশসহ ৬ জনকে আসামী করা হয়। গত ২০ মার্চ চকরিয়া সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে এ নালিশি অভিযোগ দায়ের করে। পেকুয়ার কর্মরত সংবাদকর্মী মোহাম্মদ ফারুক বাদী হয়ে এ মামলাটি রুজু করে। যার সিআর নং ২৭১/১৮। আদালত সেটি আমলে নিয়ে সিআইডি কক্সবাজারকে তদন্তভার ন্যস্ত করে। এ দিকে টইটং ইউপি চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরীসহ ৫ গ্রাম পুলিশকে জড়িয়ে হত্যা মামলার আর্জি আদালতে পেশ হওয়ায় এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে পেকুয়ায় ক্ষমতাসীন দল আ’লীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠন। টইটং ইউনিয়ন আ’লীগের পক্ষ থেকেও পৃথক বিবৃতিসহ প্রতিবাদ জানানো হয়। এক বিবৃতিতে উপজেলা আ’লীগের সভাপতি(ভারপ্রাপ্ত) শাহনেওয়াজ চৌধুরী বিটু ও সাধারন সম্পাদক আবুল কাসেম,সহসভাপতি মোস্তাক আহমদ, বশিরুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম সিকদার বাবুল (সাবেক চেয়ারম্যান), যুগ্ম সম্পাদক ওয়াহিদুর রহমান ওয়ারেচী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক নাজিম উদ্দিন, তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক সম্পাদক হামিদুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক খলিলুর রহমানসহ উপজেলা আ’লীগের সকল স্তরের নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিতে তারা জানায়, চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী টইটং ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারন সম্পাদক। তার বিরুদ্ধে চক্রান্তকারীরা জড়ো হয়েছে। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে। জোট সরকারের সময় তাকে নির্মম ও নিদারুনভাবে হয়রানি ও মামলা মোকদ্দমা দিয়ে ফাঁসানো হয়েছিল। তিনি কখনো অন্যায় অপশক্তির সাথে আপোষ করেনি। মাথানত করেনি কোন চক্রান্তকারীর সাথে। আমরা অত্যন্ত মর্মাহত ও হতাশাগ্রস্ত একজন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে কিভাবে জঘন্য অপবাদ রটিয়ে এ ধরনের ফাঁসানো মামলা দেয়া হয়। ঘটনা কাল্পনিক। তিনি ও তার পরিষদের গ্রাম পুলিশ আর্জির পেশমত কোন ঘটনায় জড়িত নেই। যে মহিলাকে ভিকটিম বলা হচ্ছে তার মৃত্যুর প্রশ্ন এ জনপ্রতিনিধি ও গ্রাম পুলিশদের উপর ছড়িয়ে দেয়া কোন অবস্থায় ন্যায় সংগত নয়। শান্তি শৃংখলা রক্ষা করবে জনপ্রতিনিধি ও গ্রাম পুলিশরা। তারা ইউনিয়নে যে কোন স্থানে যেতে পারেন। তাই বলে স্বাভাবিক মৃত্যুর এ বিষয় হত্যা বলে চাপিয়ে দেয়ার প্রশ্ন অত্যন্ত দু:খজনক। আমরা আ’লীগ স্পষ্ট বলতে চাই জাহেদের উপর এমন বর্বরতা ও হয়রানি মেনে নেওয়া যায় না। যিনি মামলার বাদী তার এ সম্পর্কে কি অধিকার অন্তনির্হিত। আমরা মনে করি এটি চক্রান্তের ফাঁদ। এ ধরনের কাল্পনিক ঘটনায় কোন জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক কর্মীকে ঘায়েল করা মোটেই অসমর্থনযোগ্য। মামলাবাজরা এ ধরনের কাল্পনিক ঘটনা তৈরী করে। তারা পরিষদ ও রাজনৈতিক দল আ’লীগকে অকার্যকর করতে চাই। আমরা এ সব হতে দেব না। জাহেদের বিরুদ্ধে এ চক্রান্তের কঠিন জবাব দেয়া হবে। সাবধান করতে চাই আমরা বেঁচে আছি। রাজপথ ছেড়ে যায়নি। উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ বারেক, সহসভাপতি জিয়াবুল হক জিকু, মোহাম্মদ হোসাইন, যুগ্ম সম্পাদক সাংবাদিক নাজিম উদ্দিন, সাংবাদিক জালাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হক চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক রেজাউল করিমসহ যুবলীগ বিবৃতি দেয়। একইভাবে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি কফিল উদ্দিন বাহাদুর, মগনামা ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান খাইরুল এনাম, সাধারন সম্পাদক রশিদ আহমদ, উজানটিয়া ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারন সম্পাদক শাহজামাল মেম্বার, রাজাখালী ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম বিএসসি, সম্পাদক আবুল কাসেম আজাদ, বারবাকিয়া সভাপতি আবুল হোসাইন শামা, সাধারন সম্পাদক কামাল হোসাইন, টইটং ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি ছরওয়ার কামাল, সহসভাপতি আনোয়ারুল হক বদু, শিলখালীর সম্পাদক বেলাল উদ্দিনসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন আ’লীগ এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। চেয়ারম্যান এসোসিয়েশন পেকুয়ার পক্ষ থেকেও বিবৃতি সহ প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। রাজাখালীর চেয়ারম্যান ছৈয়দ নুর, শিলখালীর চেয়ারম্যান নুরুল হোসাইন, বারবাকিয়ার চেয়ারম্যান এ,এইচ,এম বদিউল আলম, উজানটিয়ার চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম চৌধুরীসহ সকল ইউপি চেয়ারম্যান বিবৃতি সহ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। টইটং ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিরাও এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। জনপ্রতিনিধিরা জানায়, কাল্পনিক সংবাদ সহ চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলামকে ষড়যন্ত্রকারীরা হয়রানি করছে। একের পর এক মিথ্যা সংবাদ ও মিথ্যা মামলায় তাকে জড়ানোর পায়তারা করছে। আমরা সরকারের আইন বিভাগ ও প্রশাসন বিভাগসহ সকল গোয়েন্দা সংস্থাকে জনপ্রতিনিধি জাহেদ ও তার গ্রাম পুলিশদের নিয়ে যে চক্রান্ত চলছে এর আইনগত সহায়তা করতে আহবান করছি। চক্রান্তকারীদের মুখোশ উম্মোচন করতে হবে।

Top