কক্সবাজারে ছিনতাইকারীদের আতঙ্কের নাম এসআই আতিক

29855115_184657072152469_2111426407_n.jpg

সাগরকণ্ঠ রিপোর্ট :

প্রতিনিয়ত পুলিশ বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গা সৃষ্টি করে যাচ্ছে কক্সবাজার থানার চৌকষ পুলিশ কর্মকর্তা এসএই আতিকুর রহমান। তিনি কক্সবাজার সদর মডেল থানায় যোগদান করার পর থেকে একের পর এক অভিযানের মাধ্যমে অস্ত্র উদ্ধার, ছিনতাই-রাহাজানি নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছেন। এতে করে ফিরে আসতে শুরু করেছে পুলিশ বাহিনীর হারানো ঐতিহ্য। তার এই সফল অভিযানে বর্তমানে তিনি ছিনতাইকারীদের কাছে মুর্তিয়মান আতঙ্কে পরিনত হয়েছেন।
৩১ মার্চ রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুইটি এল জি, একটি ছোরাসহ তিনজন ছিনতাইকারী গ্রেফতার করেন তিনি। গ্রেফতারকৃত দুর্ধর্ষ এই অল্পবয়সী ছিনতাইকারীরা প্রতিনিয়ত কখনো অস্ত্রের ভয়ভীতি দেখিয়ে, কখনো গুরুতর আঘাত করে কেড়ে নিচ্ছিল কক্সবাজার বেড়াতে আসা পর্যটকদের সবকিছু। এই অভিযানে গ্রেফতারকৃতরা হলেন ০১। সাদ্দাম হোসেন (২৩), পিতা- মোঃ সৈয়দ, মাতা- জোৎস্না আরা সাং- ইউসুলের ঘোনা, জামে মসজিদের পাশে, পাহাড়তলী, কক্সবাজার পৌরসভা থানা- কক্সবাজার সদর, কক্সবাজার, ২. রবিউল আলম প্রঃ রুবেল (২৪), পিতা- মৃত মিজান, মাতা- মিনু বেগম সাং-আলীপুর, থানা- হাটহাজারী, চট্টগ্রাম, বর্তমান : দেওয়াল পাড়া, সীগাল হোটেলের পিছনে, হাসান উল্লাহর ভাড়া বাসা, কক্সবাজার পৌরসভা, থানা- কক্সবাজার সদর, কক্সবাজার, ৩. রেজাউল করিম (১৯), পিতা- নুরুল ইসলাম, মাতা- ফরিদা বেগম সাং- দক্ষিন ঘোনার পাড়া, রহিম ড্রাইভারের বাড়ী, কক্সবাজার পৌরসভা, জেলা- কক্সবাজার।
এই অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দিন খন্দকার জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। পুলিশের চৌকষ কর্মকর্তাদের দ্বারা অভিযান অব্যাহত থাকবে। চেষ্টা থাকবে কক্সবাজারে ছিনতাই রাহাজানি চিরতরে নির্মূলে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, গত ১২ মার্চ  ভোর ৬টা থেকে ১৩ মার্চ ভোর ৬টা পর্যন্ত কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরিদ উদ্দিন খন্দকার এর নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ কামরুল আজম, পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশনস্ এ্যান্ড কমিউনিটি পুলিশিং)  মোঃ মাইন উদ্দিন, পুলিশ পরিদর্শক (ইন্টেলিজেন্স) মোঃ খায়রুজ্জামান, এসআই আতিকুর রহমান,এএসআই মোঃ তারেক, এএসআই মোঃ দেলোয়ার হোসেন, এসআই মোঃ ফয়সাল উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্স সহ কক্সবাজার সদর মডেল থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মোট ১০ জন আসামীকে গ্রেফতার করেন। এসময় উদ্ধার করা হয় ক। ২টি এলজি (আগ্নেয়াস্ত্র), খ। ০২ রাউন্ড কার্তুজ, গ। ০৬টি ছোরা, ঘ। ০৪টি লোহার রড, ঙ। ০৫টি মুখোশ অত্র থানার এসআই আতিকুর রহমান উদ্ধার পূর্বক থানায় পৃথকভাবে ২টি মামলা দায়ের করেন।

এদিকে সদ্য পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে উত্তীর্ণ মো. রফিকুল ইসলাম নামে এক প্রার্থীর বাড়িতে চুড়ান্ত ভেরিফিকেশন যান এসআই আতিক। কক্সবাজার সদর খুরুশকুল কোনার পাড়ায় ভেরিফিকেশনে যাওয়ার সময় তিনি নিয়ে যান লাল ফুল আর মিষ্টি। এতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গা আরেক দফা বেড়ে গেল। পুলিশের প্রতি নীতিবাচক ধারণা হয়ত একটু হলেও কেটে গেলো এমনটায় মনে করেন সাধারণ জনগণ।

Top