পেকুয়ায় মেয়ের জামাতার পিটুনিতে শাশুর হাসপাতালে

Pitano.jpg

জালাল উদ্দিন, পেকুয়া :
পেকুয়ায় মেয়ের জামাতার পিটুনিতে হাসপাতালে ভর্তি হলেন শাশুর। ঘটনার জের ধরে কনে ও জামাই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ২১ এপ্রিল রাত ৮ টার দিকে চট্রগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলার পশ্চিম পুইছড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা শাশুর ও চাচা শাশুরকে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। আহতরা হলেন পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের সোনাইছড়ি হাজির বাড়ির মৃত আহমদ ছফার ছেলে ছমিউল্লাহ(৪৮) ও তার ছোট ভাই আলী হোসাইন(৪২)। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ওই দিন সন্ধ্যার দিকে ছমিউল্লাহ পেকুয়া থেকে পুঁইছড়িতে তার মেয়ে ডেজি আক্তারের শাশুর বাড়িতে যায়। যাওয়ার সময় ছোট ভাই আলী হোসেনকে নিয়ে যায়। মেয়ে ডেজি মুঠোফোনে স্বামী মারধর করছিল বিষয়টি পিতাকে জানায়। ছমিউল্লাহ দ্রুত ছুটে গিয়েছিলেন। এ সময় মেয়ের শাশুর বাড়িতে পৌছামাত্র মেয়ের স্বামী নেজাম উদ্দিন তাকে ইলেকট্রিকের টর্চ দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। এ সময় চাচা শাশুর আলী হোসেন ভাতিজি জামাতাকে নিবৃত করার চেষ্টা করছিল। তারা তাকেও পিটিয়ে আহত করে। ছমিউল্লাহ জানায়, আমার মেয়েকে জানে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। মেয়ে নির্যাতনের বিষয়টি আমাকে জানায়। আমি গিয়ে মেয়েকে পায়নি। ২ জন ছোট্র নাতী আছে। এরা মায়ের জন্য কান্নাকাটি করছিল। তারা হিংস্রর প্রকৃতির লোক। আমার মেয়েকে অজ্ঞাত স্থানে রাখা হয়েছে। ছমিউল্লাহর মেয়ে পেকুয়া শহীদ জিয়া বিএম ইনষ্টিটিউট এর ১ম বর্ষের ছাত্রী জোৎস্না আক্তার জানায়, আমার বড় ভাই দুবাই থাকে। তিনি একটি বাড়ি নির্মান করে। একদিন আগে দুলাভাই ও আপা দাওয়াত খেতে এসেছিলেন। সেখানে আপাকে বকাঝকা করা হয়। ছমিউল্লাহর স্ত্রী মনোয়ারা জানায়, তারা খুনী। নরপিশাচের মত আমার মেয়েকে নির্যাতন করে। প্রায় সময় নেশাগ্রস্ত থাকে মেয়ের জামাই। ডেজি আক্তারের ফুফী পাখি জানায়, আমার ভাইয়ের মেয়েকে গুম করা হয়েছে। কি অবস্থায় মেয়েটিকে রাখা হয়েছে সে সম্পর্কে খোঁজ খবর নেই। আমার দুভাইকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে।

Top