দুর্গন্ধ স্থানে সুগন্ধ ছড়াচ্ছেন ‘কউক’

received_2286446595002885-768x432.jpeg

কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়ক থেকে বিমানবন্দর সড়কের প্রবেশমুখ কিছুদিন আগেও ছিল একটি ময়লা আবর্জনার ভাগাড়। পাশ দিয়ে হাঁটতে হতো নাকে রুমাল চেপে। এর পাশ দিয়ে দেশ-বিদেশের ভিভিআইপি-ভিআইপি ছাড়াও বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত চলাচল করত। স্থানীয় লোকজনও চলাচল করত বড্ড বিরক্তি নিয়ে। কিন্তু সেই বিরক্তির বদলে স্থানটি এখন স্বস্তির। দৃষ্টিকটুর পরিবর্তে এখন দৃষ্টিনন্দন হয়েছে স্থানটি।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও কক্সবাজার পৌরসভা সম্প্রতি শহরের সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের আওতায় এ পদক্ষেপ নেয়। এর ফলে আগে যেখানে স্থানীয় লোকজন ও পর্যটকেরা ওই স্থানটি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করত এখন সেখানে ক্ষণিক সময়ের জন্য তারা থমকে দাঁড়ায়। অনেকেই সেলফি তোলে।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) চেয়ারম্যান লে. কর্ণেল (অব.) ফোরকান আহমদ জানান, বিমানবন্দর সড়কের প্রবেশমুখে ময়লা আবর্জনার ভাগাড়ের কারণে একদিকে পরিবেশ দূষিত হচ্ছিল, অন্যদিকে দেশে-বিদেশে কক্সবাজারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছিল।
একটি পর্যটন শহরে, যেখানে প্রায় প্রতিদিনই দেশী-বিদেশী ভিভিআইপি-ভিআইপি চলাচল করে সেখানে এই ধরনের ময়লা-আবর্জনার ভাগাড় থাকা চরম দুঃখজনক ব্যাপার। তাই উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের আওতায় উক্ত ‘দৃষ্টিকটু’ স্থানটিকে ‘দৃষ্টিনন্দন’ স্থানে পরিণত করে। এখানে তুলে ধরা হয়েছে প্রকৃতি আর জীববৈচিত্রের আবহ।
কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা পর্যটন শহর কক্সবাজারকে আরো সুন্দর ও পর্যটনবান্ধব করতে নানামুখী পদক্ষেপ নিচ্ছি। এরই অংশ হিসাবে বিমানবন্দর সড়কের প্রবেশমুখে একটি সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।’
এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কারণে কউক ও পৌরসভা দলমত নির্বিশেষে সকল মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।
কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি ও মহতি উদ্যোগের কারণে কক্সবাজার বিমানবন্দর সড়কের প্রবেশমুখের চিত্র পাল্টে গেছে। আবর্জনার ভাগাড় এখন আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত হয়েছে। শহরের দৃষ্টিকটু আরো অন্যান্য স্থানেও এই ধরনের সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি স্থানীয়দের।

Top