‘বাংলাদেশ ক্রিকেট অভাবনীয় উন্নতি করেছে গত ৫বছরে’

images-1.jpg

ক্রীড়া ডেস্ক :

আর সপ্তাহখানেক পরেই মাঠে গড়াতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের দ্বাদশ আসর। এবারের আসরের প্রতিদ্বদ্বিতা নিয়ে কথা বলতে যেয়ে ভারতের কোচ রবি শাস্ত্রী বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের বিগত কয়েক বছরের দারুণ পারফর্মের উদাহরণ দেন। গত ৫ বছরে বাংলাদেশের ক্রিকেট অনেক এগিয়ে গিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কাকে বড় চ্যালেঞ্জ মনে করেন না কোহলিবিশ্বকাপে অংশ নিতে মঙ্গলবার (২২ মে) সকালে ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে উড়াল দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। শিরোপা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে বিশ্বকাপ যাত্রা করা ভারতের কোচ রবি শাস্ত্রী মানছেন এবারের বিশ্বকাপটা সবচেয়ে প্রতিদ্বদ্বিতাপূর্ন হবে। কারণ টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী ১০টি দলের মানে এখন খুব বেশি পার্থক্য নেই।

রবি শাস্ত্রী বিশেষভাবে উদাহরণ দিতে যেয়ে বলেন, ৫ বছর আগে বাংলাদেশ যেই অবস্থানে ছিল এখন আর সেই অবস্থানে নেই। বাংলাদেশের প্রশংসা করে তিনি বলেন, টাইগাররা আজ অনেক এগিয়ে গিয়েছে। সেই সাথে আফগানিস্তানের উদাহরণও দেন তিনি। শাস্ত্রীর কথায় স্পষ্ট যে, কোনো দলকেই হালকাভাবে নিতে রাজি নন তিনি।

ভারতীয় কোচের ভাষায়, ‘ভীষণ প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ একটি টুর্নামেন্ট হবে। ২০১৪ থেকে ২০১৯-এ তাকালেই বুঝতে পারবেন। এখন দলগুলোর মাঝে ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে। বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানকেই দেখুন, ২০১৪ সালে তারা কোথায় ছিল আর এখন কোথায় উঠে এসেছে। খুবই কঠিন একটি বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে।’

২০১৫ সালে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ ছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে বড় হারে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় টাইগাররা। তবে সেই বছরই ঘরের মাঠের সিরিজে মহেন্দ্র সিং ধোনির দলকে নাস্তানাবুদ করে প্রথমবারের মতো সিরিজ জয় করে বাংলাদেশ।
বিশ্বকাপের একাদশ আসর থেকেই অভাবনীয় উন্নতি লক্ষ্য করা যায় টাইগার ক্রিকেটে। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলাসহ একই বছর (২০১৫) ওয়ানডে সিরিজে পাকিস্তানকে ধবলধোলাই, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো ক্রিকেট পরাশক্তির বিপক্ষে সিরিজ জয়ই যার উদাহরণ।

গত দেড় বছরে ৪টি বহুজাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে সবকটিতেই ফাইনাল খেলেছে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। শিরোপা জয় করেছে একটিতে। ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি মাস পর্যন্ত দেড় বছরে ২৭ ম্যাচের ১৭টি জয় তুলে ইংল্যান্ড ও ভারতের পরেই অবস্থান করছে টাইগাররা। তাই বাংলাদেশকে বিশ্বকাপের আন্ডারডগ মানতে নারাজ শাস্ত্রী।

Top